
ডিসেম্বরে গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ, নতুন চুক্তি ও গ্যারান্টি ক্লজ চায় বাংলাদেশ
গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ সমাপ্তি
- ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে।
- বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শুধু চুক্তি নবায়ন না করে নতুন করে চুক্তি করার এবং ১৯৭৭ সালের 'গ্যারান্টি ক্লজ' ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে।
- পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি চলতি বছরের ডিসেম্বরের আগেই ভারতের সঙ্গে গঙ্গা চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন।
- মন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজের কাজ দৃশ্যমান হবে।
- জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম তিস্তাসহ সব অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন ও নদী ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সমান অংশীদারত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
কে কীভাবে বলছে
শিরোনামে শব্দের পার্থক্য
ডিসেম্বরের আগে চুক্তির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে
- চ্যানেল ২৪: ১২ ডিসেম্বরের আগেই গঙ্গা চুক্তি করতে চায় বাংলাদেশ
- ভোরের কাগজ: ভারতের সঙ্গে গঙ্গা চুক্তি ডিসেম্বরের আগেই, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ
- ঢাকা পোস্ট: ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ
নবায়ন নয়, নতুন চুক্তির দাবি জানানো হয়েছে
- একাত্তর টিভি: ১৯৭৭ এর ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে নতুন গঙ্গা চুক্তি চায় বাংলাদেশ
- আজকের পত্রিকা: গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম
শিরোনাম ও সংখ্যা সংবাদমাধ্যমগুলোর নিজেদের প্রতিবেদন থেকে, হুবহু। AI শুধু মিল-অমিলগুলো খুঁজে সাজিয়েছে; কোনো সংবাদমাধ্যমের মূল্যায়ন নয়।
সময়রেখা
- ৭ অক্টোবরডিসেম্বরে গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন চুক্তির দাবি জানিয়েছে এনসিপি। · ৩টি খবর
- ৮ অক্টোবরবাংলাদেশ ডিসেম্বরের আগেই নতুন গঙ্গা চুক্তি ও মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ চায়। · ৬টি খবর
- ৯ অক্টোবর১টি নতুন খবর, যোগ দিয়েছে দেশ রূপান্তর: গ্যারান্টি ক্লজসহ নতুন গঙ্গা পানি বণ্টন চায় বাংলাদেশ
কেন আলোচনায়
ডিসেম্বরে গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া এবং নতুন চুক্তি ও যৌথ নদী ব্যবস্থাপনার দাবির প্রেক্ষিতে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
এক নজরে: সংবাদমাধ্যমগুলো কীভাবে লিখেছে
বেশিরভাগ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে ডিসেম্বরে গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বাংলাদেশ নতুন চুক্তি করতে চায়। কিছু প্রতিবেদনে ১৯৭৭ সালের গ্যারান্টি ক্লজ ফিরিয়ে আনার দাবির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনে আগামী মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
AI লিখেছে, সংবাদমাধ্যমগুলোর শিরোনাম ও প্রতিবেদনের অংশ থেকে। কোনো সংবাদমাধ্যমের মূল্যায়ন নয়। প্রতিটির খবর নিচে।
টপিকের গতি
প্রতিটি স্তম্ভ = ওই সময়ে এই টপিকে প্রকাশিত খবরের সংখ্যা। মাউস রাখলে বা ট্যাপ করলে সংখ্যা ও সময় দেখা যাবে।
উৎস অনুযায়ী খবর
আলোচনা · ০
মন্তব্য করতে বা রিপোর্ট জানাতে সাইন ইন করুন। সবাই মন্তব্য পড়তে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই।